Posts

Showing posts from September, 2014

যাচ্ছেতাই - ০৫

আটকে রাখতে চেয়েছিল; সমাজের দোহাই দিয়ে। জিজ্ঞেস করলাম - আমার জন্য সমাজ, নাকি সমাজের জন্য আমি? উত্তর দেয়নি, দিতে হয়নি। হাতের ডান্ডা-বেড়ি কার তৈরি? মানুষের। সৃষ্টির সেরা জীব? বটে! সেই তো সেরার সেরা- বধ করে যে যত'কে। এমনকি নিজেকেও!

দ্বন্দ্ববিধাতা (বিভ্রাট)

রাতের সাথে পাল্লা দিয়ে ক্যাপটালের ভিড় কমতে থাকে। ফিরে যায় যে যার আস্তানায়, দু'ফোঁটা বিশ্রামের আশায়। কেও কেও ঘুমায়, স্বপ্নদেবীর ছলনায় বাকিরা রাতভর জেগে থাকে রক্তাক্ত চোখে, নেশাখোরের মত ভাবতে থাকে ঘোরে, আক্রোশ- সেতো হতাশারই বহি:প্রকাশ অবচেতন মনে প্রশ্ন জাগে ওদের- ভাগ্যবিধাতা কি তবে অস্তিত্বহীন? রাজকপাল যাদের, আমুদে রাত কাটায় পালঙ্কে; নরম বালিশে মাথা পেতে, সোসাইটি গার্লের বাহুডোরে। দেবী ওদের সাথে ছলনা করে না, ওরাই তো আরতি দেয় দেবীর! আর আত্মতৃপ্তির হাসি হেসে ভাবে- স্বর্গ তো তার বেডরুমেই। ভাগ্যবিধাতা সবি দেখেন! ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে হতাশের, গালি দেয় ঈশ্বরকে; কোথায় তিনি? ভেতর থেকে জবাব আসে - ধৈর্য্য ধর!

আমি সভ্য হতে চাইনি

পাথরে পাথর ঠুকে যেদিন প্রথম নিজ হাতে আগুন জ্বেলেছে মানুষ, সেদিন হতেই রক্ত-ঘামের মূল্যমানে দু পাইয়ের আশায়-নেশায় হারিয়েছে হুশ। পাথর ছুড়েই বধ করে সব বণ্য প্রাণী পেটের ছুঁচো ক্ষান্ত করেই শান্ত হয়নি সেই প্রাণীকেই নিজ অধীনে আনল যবে অধিকার আর মালিকানাবোধ জাগল তবে। যাযাবর জাতি পশুপাল নিয়ে সারা পৃথিবী হন্নে হয়ে ছুটল আরো, গড়ল সমাজ, না আটকিয়ে ধরল কৃষি শস্য বুনে ভরল গোলা, পেল এবার স্থায়ী আবাস। (সংক্ষেপিত)

যাচ্ছেতাই - ০৪

হঠাৎ কেঁপে ওঠা ঠোঁট কামড়িয়ে ধরে ভাবি জ্বরের ঘোরেও, সত্যিই তুই কি গেয়ে যাবি- নিরালায়, সাদা পাতায় শব্দের গাঁথুনি গাঁথবি? পোড় খাওয়া, নবীন হাতে ব্যাথার ছবি আঁকবি? আলোর সাথে অন্ধকারের সন্ধি হয়ে থাকবি? রিক্ততা আর ক্লান্তি পথে শত ক্রোশ পথ ভাঙবি? নাকি স্বপ্নালু চোখে মরীচিকার ছায়া আঁকড়িয়ে থাকবি?