Posts

Showing posts from February, 2014

'অগ্নি' মুভি রিভিউ

মোটামুটি বিনা প্লানেই অগ্নি দেখে আসলাম। সামনে পরিক্ষা,একই সাথে মাসের শেষ - এসময় মুভি দেখার প্রশ্নই আসে না,অন্তত সিনেমা হলে গিয়ে। এক ফ্রেন্ড ফোন দিয়ে বলল মুভি দেখব কিনা। টাকা নাই বলায় ঝাড়ি খাইলাম সেই লেভেলের। অগ্নির কথা এম্নিই অনেক শুনছি, দেখার প্রবল আগ্রহ ছিল। এমন সুযোগ মিস করার প্রশ্নই ওঠেনা। সো,মহাখালী থেকে সোজা পান্থপথ :) অগ্নির একটা পোস্টারে মাহির সাদাকালো ছবি দেখে আগেই ফিদা! আজকে তো পুরা মাহির ফ্যান হয়ে গেলাম! তানিশা/ অগ্নি মুভির কেন্দীয় চরিত্র। যার বাবা মাকে বাবার পার্টনারেরা ছোটবেলায় মেরে ফেলে - তানিশার সামনেই। পালিয়ে যায় তানিশা - আশ্রয় নেয় তার মামা, এলাকার মাস্তান মার্শাল এর কাছে। মার্শালের কাছেই সে অস্ত্রচালনা শেখে, হয়ে ওঠে কিলার গার্ল অগ্নি! শুরু হয় অগ্নির একশান। বাবার এক খুনিকে হত্যা করে তার মোবাইল নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের পুরো চক্রের খোজ পায় সে। ছুটে যায় থাইল্যান্ড। সেখানেই আছে তার বাবার অন্য চার খুনি। শুরু হয় তার মিশন। সেখানেই দেখা হয় খুনির বডিগার্ড ড্রাগনের সাথে। ড্রাগনেরই মামার বাসায় সাবলেট নেয় অগ্নি। একে একে হত্যা করে বাবার খুনিদের - বিভিন্ন কৌশলে। এদিকে তার মামাকে মে...

পার্টটাইম কবি

জলরঙ-তেলরঙ-পেনসিল রঙে অবয়ব আকি তোর কতশত ঢঙে! কার্টিজ পেপারের সাদা(!) ক্যানভাসে; মায়াবতি যেন আজ বাঁকা চোখে হাসে! টোল পরা গালে তোর, আলতো ছোঁয়া; ঘনকালো আঁখি-জলে নিদ গেল খোঁয়া! মোমরঙে আকা ঐ বাঁকা দুটো ঠোঁট; বাঁধভাঙা ইচ্ছেরা বাধে সব জোট! ছুতে চায় ক্ষণে-ক্ষনে রঙে আঁকা ছবি; আর্টিস্ট বনে যায় পার্টটাইম কবি!

জল

আমি জলের মত প্রবাহিত হতে চাই, উচ্চ থেকে নিম্নে - ভূমি থেকে ভূনিম্নস্থলে যেমন স্বর্গ হতে নেমে আসে দেবতারা ধুলির ধরায়, খেলাচ্ছলে কিংবা বেখেয়ালে। জলের মত বাষ্পায়িত হতে চাই আমি, সারা পৃথিবী ঘুরে সমুদ্রে পতিত জলের মত আবার কালো মেঘ হয়ে জমতে চাই উচ্চ থেকে সুউচ্চে - বাতাসে ভাসতে চাই। আমি জলের মতো ঝরঝরে ঝড়তে চাই, ভূপতিত হতে চাই মেঘগলা বৃষ্টিধারার মত আর এ-মাটির স্পর্শ পাব বলে বারেবার পুকুর-ডোবায় জল হয়ে জমতে চাই। জলের মত দশদিকে হবে গতায়াত! কি উচ্চে- কি নিম্নে, পুবে কিংবা পশ্চিমে ডানে বায়ে - উত্তরে দক্ষিণে গড়াতে চাই; কুমেরুর বরফ হয়েও জমতে চাই। হায় জলধী; হায় বিচিত্র মন আমার!

অপ্সরা

পরণে নীল শাড়ি হাতে কাচের চুড়ি কপালে ছোট্ট একটা কালো টিপ খোলা চুলে তোমায় দেখে মনে হল স্বর্গ থেকে নেমে আসা অপ্সরা! ঘোর লাগা চোখে দেখছি তোমায়; সামনে এসে জিজ্ঞেস করলে- অবাক চোখে কি দেখছ? মুহূর্তের জন্য বাকশক্তি হারিয়ে যন্ত্রের মত বললাম - তোমাকেই। বাকা হাসি হেসে বললে- অনেক হয়েছে, এবার চল! বলেই হাতটা ধরে টেনে তুললে আমাকে; ঘোরের রাজ্য থেকে বাস্তবে। মন্ত্রমুগ্ধের মত তোমার পাশে চললাম। জানিনা কোথায় যাচ্ছি! শুধু এটুকু জানি, এভাবে তোমায় পাশে পেলে রসাতলে যেতেও আমি রাজি!! :p

৪৮ ঘন্টা

জানতাম ২৪ ঘন্টায় দিন হয় আমার জানায় সম্ভবত ভূল ছিল। "৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুনী গ্রেফতার হবে " প্রতীক্ষার দুই-দুইটা বছর পেরিয়ে গেল। রাজনীতির ঘড়ির কাটা বড্ড ধীর হবে, আমাদের ঘড়িতে দুই বছর কেটে গেল উনাদের যে এখনও ৪৮ ঘন্টাই হয়নি! গণিতের হিসেবে তো ৪৮ ঘন্টায় দুই দিন রাজনীতির হিসেবে কত বছর? জানিনা। মেঘের কান্না বধির রাষ্ট্র শুনতে পায় না ওর আর্তনাদ ওঁদের মরমে প্রবেশ করেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার পরিবারও তো খুন হয়েছিল। মেঘের বয়স এখন এগার, শেখ রাসেলের সমান; মেঘের "মা" ডাক কি আপনার কানে পৌছায়? স্বজন হারানোর বেদনা কি আপনি ভুলে গ্যাছেন? নাকি অপেক্ষা করতে হবে ততদিন- যতদিন না মেঘ প্রধানমন্ত্রী হয়! সাগর-রুনী হত্যার বিচারও কি ওরও ক্ষমতায় এসেই করতে হবে?! বেডরুম পাহারাদার তো চাইনি; নিরাপদে বাঁচতে চাই শুধু। 'মেঘ'দের সংখ্যাটা যেন আর না বাড়ে।।

বৃক্ষ-গুল্ম-বারুৎ (মরীচিকা )

অযাচিত প্রাপ্তি প্রত্যাশার পিদিমে আগুন জ্বালিয়ে দেয় ফুঁসে ওঠে অনাকাঙ্ক্ষিত চাহিদার লকলকে শিখা, শুষে নিতে চায় সবটুকু অক্সিজেন যার জোড়ে বেচে আছি এখনও, কার্বন-ডাই-অক্সাইডে ভরে যায় চারদিক ক্ষীণ হয়ে আসে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা। ঠিক যেন হঠাত বৃক্ষচারা পেয়ে- গুল্মগুলো সব উপড়ে ফেলে গলিয়ে-পচিয়ে সার বানিয়ে সেই চারার গোড়ায় ঢালি এ খরায় স্বপ্ন দেখি ছায়ার! ফাঁটা মাটি আরও ফেঁটে চৌচির হয়; তপ্ত রোদে চোখের পলক ফেলা দায়, তখনও একটু ছায়ার আশায় চারাটায় পানি দেই - পরম মমতায়; শেষ হয়ে আসে খাবার পানিটুকুও তবুও কুড়ি আসেনা চারার। এ যে বৃক্ষ! গুল্ম হলে কবেই কুড়ি দিত! অস্থিরতা বাড়তে থাকে প্রতি মুহূর্তে; একসময় চরম ক্ষুধায় ইচ্ছে করে খুব- সাধের চারার পাতাগুলোই চিবিয়ে খেতে।

ষাট পেরিয়ে

ষাট পেরিয়ে এলাম এইতো সেদিন চোখে মুখে নাকি প্রৌড়ত্বের ছাপ পড়েছে সেদিন পুরোনো প্রেমিকা বলল - দেখা হয়েছিল ওর সাথে, চোখে চশমা হরিণির মত চোখদুটো আজ নিষ্প্রভ হাফ ডজন নাতি-নাতনি তার এখন হাতে কাচের চুড়ির বদলে সোনার বালা দীঘল কালো রেশমি চুলে পাক ধরেছে নিখুঁত পাড়ের শাড়ি পড়া ভুলেই গেছে হয়ত নাতি নাতনির স্কুল ড্রেস পড়ানোর ব্যস্ততায় ঘরে নাকি টুকটুকে দুই বউমাও আছে! নিজের বউমা হওয়ার শখের কথা মনে আছে কি? হয়ত ভুলে গেছে বেনারসি পড়ে বৌ সাজার কথা আগের মত কলকলিয়ে যায়না অনবরত কবে যে মেপে কথা বলা শিখল! অবাক হই দেখে - মুগ্ধও। হয়তোবা তার চোখেই পড়েনি আমি যে এখনও আগের মতই আছি এখনও হাতাকাটা ফতুয়া আর জিন্স পড়ি বামহাতে স্টিলচেনের ঘড়ি পড়তে ভুলিনা কখনও বুক পকেটে সবসময় একটা কালির কলম থাকেই সেই যে সে কলম কিনে দিয়ে বলত কবি! আমার কলমে আমার জন্য কবিতা লিখবে। সেতো জানেইনা -আজও তার কবিতা লিখে ভরিয়ে ফেলি সস্তা দরের প্যাডের পাতা। জানবেই বা কিভাবে? সেই যে ফাইনাল পরিক্ষার পরে বাসায় গেল আরতো এলই না - সার্টিফিকেট তুলতেও না তারপর কত অলস দুপুর কাটিয়েছি সেই বটতলায় একটি বার সে হয়ত আসবে এই আশায় না - সে আসেনি। একদিন হঠাত একখানা পত্র পেল...

ফিরে আসে নীড়ে - ০১

১. - কিরে, কি অবস্থা? -এইতো ভালই। তোর কি অবস্থা? -ঐ ডালে-ভাতে বেচে আছি আরকি! তা হঠাত কি মনে করে? -এই খোজ-খবর নিলাম আরকি :) -সুর্য আজকে কোনদিকে উঠছে মামা!? কাহিনি কি বল? এম্নি এম্নি ফোন দেয়ার লোক তুই না! -কি যে বলিস। বুঝিসই তো, পড়াশোনা নিয়ে একটু ব্যস্ত। -হুম,তাতো থাকবিই। তা পড়াশোনার কি অবস্থা? -এইতো চলতেছে। আচ্ছা বিকালে ফ্রি আছিস নাকিরে? -আমিতো সপ্তাহে সাতদিনই দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা ফুল ফ্রি!! কেন বলতো? -এম্নিই। আচ্ছা বিকালে বইমেলা যাবিনাকি একটু? -কেন, তুই আসবি নাকি? -হুম -যেতাম একটু ঘুরতে। -আচ্ছা বিকালে আয়। সাইন্সল্যাব আয়া ফোন দিস। -ওকে। -আচ্ছা কয়টায় আসবি? -এই ধর ৩:৩০ -৪:০০ টায় -ওক্কে, ডান। ২. নাফিস আমার স্কুল ফ্রেন্ড। একসাথে জিলা স্কুলে সেই ক্লাস থ্রি থেকে টেন পর্যন্ত পড়ছি। এসএসসির পর ও ভর্তি হল রাজউকে আর আমি ঢাকা কলেজে। বেশ ভাল ছাত্র নাফিস, পড়ুয়াও বটে। এসএসসি তে বোর্ডে প্লেস করছিল। এখনও ভাল রেজাল্ট করছে কলেজে। আমার মত ট্র‍্যাকচ্যুত হয়নি। আমি বখে গিয়েছি আসলেই। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর কিছুদিন ভালই পড়াশোনা করছিলাম, হাফ ইয়ারলিতে রেজাল্টও বেশ ভাল ছিল। তারপর...... -দোস্ত কই তুই? -বাসায়। তুই কই?...

খাদনামা

যে প্রশ্ন আজন্ম লালিত এ বুকে তারি উত্তর খুজে ফিরি পথে পথে আমি কে? আমার পরিচয় কি? কেনইবা এ ধরায় আমার আগমন? একসময় ব্যস্ততায় খুজেছি নিজেকে পাইনি কিছুই! শুধু দিশেহারিয়েছি বারবার সবার ব্যস্ত পদচারণায় ত্রস্ত আমি ভেবেছি নিরালায় হয়তো খুজে পাব কিছু উত্তর! মাঝরাতে যখন ঘুমিয়ে পড়ে সবি এমনকি রাস্তার নেড়ি কুকুরগুলোও ব্যস্ততার লেশমাত্রও চোখে পড়েনা কোথাও ঠিক তখনই আমি বেড়িয়ে পড়ি খোঁজে নিজেকেই খুজি নিস্তব্ধ-নিরবতায়। আনমনে ভাবি - পৃথিবীর অংশ হিসেবে কোথাও না কোথাও আমার কোন ব্যবহার অবশ্যই আছে। আমিতো ফেলনা নই - খেলনা হলেও নিশ্চয়ই কোন উদ্দেশ্যে আমি প্রেরিত বিপুল অক্সিজেনের অপচয় অযথা নয় এর যথার্থতাই খুজে ফিরি শহরময়। রাত কেটে যায়- ভোর হয় উত্তর খুজে পাইনা কোন শেষে নিজেকে শান্তনা দেই এই বলে রাত বিরাতে ঘুরে বেড়ানোই আমার কর্ম হয়তো আমার জন্য ব্যস্ততা নয়। নিজেকে বোঝাই, লোহায় যেমন খাদ মিশিয়ে বৈচিত্র আনা হয় আর সএএ কখাদ বদলে দেয় লোহার গুণ তেমনি হয়তো আমিও মেশানো খাদের মত ব্যস্ত নগরীর অংশ হয়ে এসেছি ধরায় মাঝরাতে হাটাহাটিতেই আমার সার্থকতা!!

ব্যাডমিন্টন রহস্য -০১

শীত প্রায় শেষ। মাঘের শেষ সপ্তাহ চলছে মনে হয়। সঠিকটা জানিনা। বিশ্বায়নের এই যুগে পয়লা বোশেখ ছাড়া কয়জনই বা আর বাংলা তারিখ-মাসের খবর রাখে? তাও আবার রাত বারটায় বাঙালিয়ানা জাহির করে সিংহভাগই। সে কথা থাক, যা বলছিলাম আরকি। তো এই যায় যায় শীতে আয়োজন করা হল এক বিশাআআ...ল টুর্নামেন্ট - তাও আবার যে সে টুর্নামেন্ট নয়,একেবারে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট! আচ্ছা ব্যাডমিন্টন এর বাংলা কি হবে? খারাপমিন্টন? ঐ দেখ - আবার তত্ত্বীয় বক্তৃতায়য় চলে গেছি! ইদানীং কি যে হয়েছে! কথায় কথায় শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান দেই! বাদ দেন সে কথা। কোথায় যেন ছিলাম? মানে কি যেন বলছিলাম! ও আচ্ছা - মনে পড়েছে। তো রাজকীয় খেলা ব্যাডমিন্টন এর টুর্নামেন্ট ছাড়া হল। গরিবের ঘোড়া রোগ আরকি! যে পকেটে পাব্লিক বাসের ভাড়া থাকেনা সেই প্যান্ট পড়ে কিনা ব্যাডমিন্টন খেলা! তবুও ভাই-ব্রাদাররা খেলবে বলে কথা! তো খেলার জন্য যা লাগে - প্রথমেই নেট। এক ভাইয়ে কইল নো টেনশন! ক্ষেত বাড়িতে যে নেট দেওয়া হয় ঐডা ১০০ গ্রাম ওজনে কিনে আনবেন তিনি! তোফা হয়েছে - রব উঠল। এরপরে আসল র‍্যাকেট। পড়লাম মহা মুশকিলে। এক দাদায় বলল কোই টেনশন নেহি!! ভাইয়ের আবার ইলেক্ট্রনিকস এর দোকান! তার দোকা...

নগর প্রদক্ষিণ

ওই দেখ - নগরীর সুউচ্চ টাওয়ারের ঘন্টাটা বাজল বুঝি! অবশেষে শেষ হল আরও একটা কর্মব্যস্ত দিন। এখন নগরী নিস্তব্ধ কোলাহলময় শহরটা কেমন ঝিমসে গেছে! রাজপথে হঠাত যে দু একটা গাড়ি চলছে সেগুলোও উচ্চ শব্দে ভেঁপু বাজানোয় ক্ষান্তি দিয়েছে - ক্লান্তিতে । পথচারী বলতে ঐ দুএকজন বাউন্ডেলে কবি দেখ -কি স্বচ্ছন্দে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে নিশ্চিন্তে হাটছে - যেন পিচঢালা পথটা খোলা মাঠ! ওইযে ফুটপাতে দেখ খুকখুক কাশছে এক বুড়ো মাথায় তার ভার্সিটি ফার্স্ট ছাত্রের ছবিওয়ালা ছাদ কোন কোচিং এর পোষ্টার ছিড়ে কে জানে কবে কখন ছাউনি দিয়ে নীড় গড়েছে। মোড়ে ব্যারিকেড দিয়েছে মেট্রোপুলিস ঐযে দেখ ডাকছে ইশারায় - আমাদেরই ঘুম তাড়ানোর আপ্রান চেষ্টায় দেখবে এখন কত আজব প্রশ্ন করবে আর হাই তুলবে! আজকের নগর প্রদক্ষিণ হয়তো এখানেই শেষ হতে যাচ্ছে...

ঘুর্ণিপাক

আশার খড়কুটো আঁকড়ে মাঝে মাঝে পারি দিতে ইচ্ছে হয় ঐ অকুল পাথার বাস্তবতা নামক সাইক্লোন ধেয়ে আসে প্রতিবারই সময়ে অসময়ে। মিথ্যে বলবনা, সত্যিই একটু খানি সুখের আশায় আত্মত্যাগে আমি নারাজ আমিতো ঐ আকাশটা ছুতে চাই বারেবার স্বপ্নে নয় - বাস্তবে। সন্দেহ হয়? এই যে বলি সবসময়ই - ভাল আছি আসলেই খারাপ থাকা কি জিনিস জানিনা মুহূর্তগুলো নিজের মত সাজিয়ে নিলেই খারাপ থাকা যায় না। ঐ সাইক্লোন ধেয়ে আসে বারেবার ? আমি থোরাই কেয়ার করি বাস্তবতার। সাইক্লোনের কেন্দ্রে যেখানে সর্বদাই নিম্নচাপ - ভালই জানি সেখানে বাস্তবতা নিজেই অসহায় আমি তো এখানেই! বাস্তবতা সাইক্লোন হলে আমি এর কেন্দ্র আমাকে ঘিরেই তো বাস্তবতা নাকি! আমি পারি দেবই দেব ঐ অকূল পাথার বাস্তবতা নামক সাইক্লোনের কেন্দ্রে থেকেই হ্যা - আমি বাস্তবতা তৈরী করব নিম্নচাপের মত আমাকে ঘিরেই বাস্তবতা পাক খাবে আর ঐ ঘুর্ণি চেপেই ছুয়ে দেব নীল আকাশ আমাকে যে পারতেই হবে! হ্যা - আমি পারব!!